পেঁয়াজ নিয়ে কারসাজি, আমদানি উন্মুক্ত করতে পরামর্শ
বিজবার্তা রিপোর্ট :
প্রকাশিত: ২৮ জুন ২০২২

প্রতিকেজি পেঁয়াজ উৎপাদনে কৃষকের ব্যয় ২০ থেকে ২২ টাকা। কিন্তু খুচরা পর্যায়ে সেই পেঁয়াজের কেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। দামের পার্থক্য অনেক। ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে বাজার অস্থিতিশীল ও অনিয়ন্ত্রিত করার চেষ্টা করছে গুটি কয়েক অসাধু ব্যবসায়ী।
এমন অবস্থায়, বাজারে স্বস্তি ফেরাতে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি উন্মুক্ত করতে বাণিজ্য মন্ত্রনালয়কে চিঠি দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা মহানগরের শ্যামবাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা।
পাবনা এবং ফরিদপুরের বিভিন্ন মোকামে প্রতি মন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫শ’ থেকে ১৬শ’ টাকায়। এ বছর কৃষকদের প্রতি কেজি পেঁয়াজের উৎপাদন ব্যয় ২০ থেকে ২২ টাকা ছিল।
বাণিজ্য সচিবকে লেখা চিঠিতে বলা হয়, দেশে এ বছর পর্যাপ্ত পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন ও মজুদ আছে। তাপরও ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে পেঁয়াজের বাজারকে অস্থির করা হচ্ছে।
এমন অবস্থায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি কার্যক্রম গ্রহণ করা সমীচীন হবে।
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির জন্য পাওয়া ইমপোর্ট পারমিটের (আইপি) মেয়াদ ছিল চলতি বছরের ৫ মে পর্যন্ত। স্থানীয়ভাবে পেঁয়াজ উৎপাদন ভালো থাকায়, নতুন করে আইপি মেয়াদ বাড়ায়নি বাংলাদেশ।
- হাতের নাগালে নেই স্বর্ণ
- পেঁয়াজ নিয়ে কারসাজি, আমদানি উন্মুক্ত করতে পরামর্শ
- পেঁয়াজের জন্য...
- জনসনের পাউডার পরীক্ষা করবে বিএসটিআই
- কম দামে তিন পণ্য নিয়ে আসছে টিসিবি
- লিটারে খোলা তেলের দাম কমবে ২ টাকা
- আবার পেঁয়াজে ঝাঝ, এবার কারণ মিয়ানমার
- বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় পেছাল বাংলাদেশ
- নির্বাচনী বোর্ড গঠন করেছে বিজিএমইএ
- পেঁয়াজের বাজারে নৈরাজ্য
- প্রণোদনা প্যাকেজের টাকা পায়নি ৭২% প্রতিষ্ঠান
- গামেন্টস খাত তদারকিতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি
- পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ করল ভারত
- স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত
- ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ