‘সুদ ব্যয় সাশ্রয়ে ব্যাংক ঋণ নির্ভর সরকার’
প্রকাশিত: ২০ ডিসেম্বর ২০১৯

বিজবার্তা রিপোর্ট :
ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে অর্থবিভাগ। বলা হয়, অভ্যন্তরীণ ব্যয় সামাল দিতে ঋণ নেবার ক্ষেত্রে সঞ্চয়পত্রই ছিল সরকারের ভরসা। কিন্তু এতে বড় অংকের সুদ দায়ের চক্করে পরে সরকার। তাই বিগত অর্থবছরগুলোতে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি যে হারে বেড়ে এ খাতের ঋণের স্থিতি বাড়িয়ে দেয়, তা সরকারের ব্যয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। তাই চলতি অর্থবছরে ব্যাংকখাত থেকে ঋণ বাড়িয়েছে সরকার।
অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ নিয়ে এমন পর্যবেক্ষণ করেছে অর্থ বিভাগ। দুই পাতার ওই ব্যাখ্যায় বলা হয়, সরকারের সুদ ব্যয় জনগণের করের টাকা থেকে পরিশোধ করা হয়। তাই সুদ বাবদ সরকারের ব্যয় সাশ্রয় হলে ওই পরিমাণ অর্থ উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা প্রকারান্তরে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
বলা হয়, বর্তমানে সঞ্চয়পত্রের গড় সুদের হার প্রায় ১১ শতাংশ। পক্ষান্তরে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেয়া ঋণের সুদ হার প্রায় সাত শতাংশ। ওই হিসেবে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে গেল অর্থ বছরের তুলনায় সঞ্চয়পত্র খাত থেকে মোট ১৬ হাজার ১৪২ কোটি টাকা কম আসায় ওই পরিমাণ টাকা ব্যাংকিং খাত থেকে নিতে হয়েছে। অর্থবিভাগ মনে করে, এতে সরকারের সুদ বাবদ সাশ্রয় হবে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা।
বলা হয়, সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমে যাওয়ায় উদ্বৃত্ত অর্থ ব্যাংক খাতে সঞ্চয় হিসেবে এসেছে। ফলশ্রুতিতে ব্যাংকিং খতে এ সময়ে সম্পদ সংকট নেই। চলতি অর্থবছরের প্রথম কোয়াটারে ব্যাংক খাতে ডিপোজিট ছিল ২৮ হাজার ৭১০ কোটি টাকা। যা গেল অর্থবছরের একই সময়ে ছিল মাত্র আট হাজার ৮২০ কোটি টাকা। অর্থাৎ বছরের সঙ্গে তুলনা করলে সম্পদ বেড়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা।
- চাল রপ্তানি বন্ধ করল ভারত
- ‘আমার অনেক সম্পদ আছে, আমি সাতজন জমিদারের নাতি’
- সংস্কার দেখতে ঢাকায় আইএমএফ কর্মকর্তা
- ‘অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ সামাল দেয়া গেছে’
- করজালে হাঁসফাঁস অবস্থা
- ‘শ্রীলঙ্কার পরিণতি হবে না’
- কর কাঠামোতে নানা ছাড়
- অর্থের টানাপড়েনেও বড় আকাঙ্খা
- বাজেট ২০২০-২১ : অর্থের টানাপড়েনেও বড় আকাঙ্খা
- জীবন-জীবিকা পুনরুদ্ধারই বড় চ্যালেঞ্জ
- ‘কপ-২৪’ সম্মেলনে হতাশা
- বাজেট দিলেন কে কয়বার-
- বরাদ্দের শীর্ষ দশে নেই কৃষি ও সামাজিক সুরক্ষা খাত
- ‘সুদ ব্যয় সাশ্রয়ে ব্যাংক ঋণ নির্ভর সরকার’
- সঞ্চয়পত্রের লেনদেন সপ্তাহে দুইদিন